Posts

A case for state-funded livelihood insurance for the informal economy in the era of COVID-19

Image
As the famous opening lines of Dickens’ A Tale of Two Cities go, most challenging times often mask opportunities for transformational changes moving hurdles in few weeks that might have taken generations otherwise. But only if nations are successful in leveraging from any unprecedented popular support for epochal public action. As the global pandemic of COVID-19 spreads its uncertain tentacles across continents, an increasing number of countries – including India, most recently – is entering into various degrees of lockdown of all social and economic activities as the core strategy to contain the infection’s spread. But, the ripple-effects and aftershocks following the slack in economic activities is all set for a disproportionate impact across the workforce. This largely follows from the typical structural pattern of the forms and nature of employment which varies significantly across countries – more than 75% of the employed population in Europe works in the form...

করোনার ধারণা - শঙ্কা নয়, চাই সুচিন্তিত প্রস্তুতি

দ্বিতীয় মহাযুদ্ধ বা তার পরবর্তী সময়ে কিছু বিক্ষিপ্ত ঘটনা ছাড়া এমন কোন দুনিয়াকাঁপানো ঘটনাক্রম মনে করা শক্ত যার সঙ্গে গত মাসখানেক ধরে নভেল করোনাভাইরাসের (COVID-19) এই ব্যাপক বিশ্বব্যাপী সংক্রামক প্রাদুর্ভাব এবং তারই সাথে জনজীবনে পাল্লা দিয়ে বেড়ে চলা চিন্তা - আশঙ্কার তুলনা করা চলে। সংবাদপত্র , টিভি বা ফেসবুক–টুইটারের মতো বিভিন্ন সোশ্যাল মিডিয়ার দৌলতে এই অধুনা মহামারী - স্বরূপ রোগটির জন্মবৃত্তান্তের বিবরণ , নানা দেশে ক্রমাগত লাফিয়ে লাফিয়ে বেড়ে চলা রোগাক্রান্ত মানুষের সংখ্যা , এবং এরই পাশাপাশি জাতীয় - আন্তর্জাতিক নানাবিধ স্বাস্থ্য - পরামর্শবিধির কল্যাণে কি কি উপায়ে এই অতিমারীকে প্রতিরোধ করা যেতে পারে ইত্যাদি নানারকম সংবাদ - দুঃসংবাদের রোজনামচা এখন অনেকেরই হাতের মুঠোয় ( বা মুঠোফোনে!)। জীবাণুনিরোধক মাস্ক বা জীবাণুনাশক স্যানিটাইজ্যারের দুনিয়াজোড়া আকাল , ঋতুবদলের স্বাভাবিক জ্বর - সর্দি - কাশি হলেও দুশ্চিন্তায় প্রায় নিদ্রাহীন রজনীযাপন এই তথ্যের সুব্যাপ্তিরই ফল। কিন্তু এরই পাশাপাশি চিকিৎসাবিজ্ঞান বা মহামারীবিদ্যার (epidemiology) জটিলতার মধ্যে না গিয়েও কয়েকটি বিষয় সম্পর্কে একটু স্পষ্ট ধারণ...

স্বাস্থ্যনীতি , রাজনীতি ও তারপর ...

।। ১ ।। ঝাড়খণ্ডের রাজধানী রাঁচি শহর থেকে মাইলদশেক দূরে বাস সরকারি প্রাথমিক স্কুল শিক্ষক পূর্ণ মাহাতোর। আচমকাই একদিন স্কুলফেরতা বাইকের চাকা স্কিড করে রাস্তার পাশে নয়ানজুলিতে পড়ে যান পূর্ণবাবু। প্রাণে বেচে যান , কিন্তু মাথায় - ঘাড়ে-পায়ে গুরুতর আঘাত নিয়ে ভরতি হতে হয় রাঁচির সরকারি রিজিওনাল ইন্সটিটিউট অফ মেডিক্যাল সায়েন্সেস - এ। দুটো অপারেশান , সপ্তাহখানেক আই-সি-ইউ তে , আর দিন পনের সাধারণ ওয়ার্ডে ভরতি থেকে যখন বাড়ি ফিরলেন পূর্ণবাবু খরচ তখন হয়ে গিয়েছে প্রায় তিন লাখের ওপর। সরকারি কর্মী হিসেবে ছাড় পেয়েছিলেন বেডভাড়ায় , সরকারি হাসপাতাল বলে অপারেশানের খরচও লাগে নি , তবে ওষুধপত্র , দুবার এম-আর-আই স্ক্যান ইত্যাদি নানারকম খরচ মেটাতে গ্রামের বিঘাদুয়েক জমি বিক্রি করতে হয়েছে , হাত পাততে হয়েছে আত্মীয়স্বজনদের কাছেও। তবুও পূর্ণবাবু ভাগ্যবান , স্থানীয় নেতার ফোনে বেডটা ম্যানেজ হয়ে গেছিল , নইলে গান্ধিচকের বড় প্রাইভেট হাসপাতালগুলোতে যেতে হলে লাখ দশেক বেরিয়ে যেত অনায়াসেই। সমস্যা যদিও এখনও মেটে নি পুরোপুরি , মাসে নানারকম ওষুধ কিনতেই প্রায় হাজার পনেরো খরচ হয়ে যায় , যা কিনা মাসমাইনের অর্ধেকেরও বেশ...

স্থূলতা বাড়ছে, রেহাই নেই গরীবেরও

টিফিনে দু-মিনিটের নুডলস। স্কুল ছুটি হলে পিৎজা-রোল - বিরিয়ানি । শহর-মফস্সল সর্বত্র কচিকাঁচাদের পছন্দের খাবার তাদের ওজন বাড়াচ্ছে, অথচ খামতি রেখে দিচ্ছে পুষ্টিতে। গত বছর প্রকাশিত একটি আন্তর্জাতিক রিপোর্ট বলছে, প্রতি পাঁচজন প্রাপ্তবয়স্ক মানুষের মধ্যে দু’জন অতিরিক্ত ওজন (ওভারওয়েট), বা স্থূলতায় (ওবিসিটি) ভুগছেন। এতে ডায়াবেটিস , উচ্চ রক্তচাপ , হৃদযন্ত্রের অসুখ প্রভৃতি দীর্ঘমেয়াদী অসুখের সম্ভাবনা বেড়ে যায়। বিশেষত শৈশব-কৈশোরে স্থূলতা জনস্বাস্থ্য-সংকটের অশনিসংকেত। ভারতে বেশ কয়েকটি রাজ্যে জেলাস্তরে সমীক্ষা (২০১২-১৩) থেকে দেখা যাচ্ছে যে পাঁচ থেকে আঠারো বছরের ছেলেমেয়েদের মধ্যে প্রায় ২৪ শতাংশ ছেলে এবং ২০ শতাংশ মেয়ের ওজন বেশি। এদের পাঁচ থেকে সাত শতাংশ স্থূল বা ‘ওবিস’ । এ রাজ্যে ১৫ শতাংশ অতিরিক্ত ওজনে ভারাক্রান্ত । এই প্রবণতা বজায় থাকলে অদূর ভবিষ্যতে গ্রামের গরিব পরিবারের ছেলেমেয়েদের মধ্যেও স্থূলতার  সমস্যা দেখা দেবে। তা থেকে এমন রোগ জন্ম নেবে যার চিকিৎসা  খরচসাপেক্ষ ।   গরিব পরিবারেও স্থূলত্বের সমস্যা, শুনলে অবাক লাগে । উন্নত বিশ্বে কিন্তু অনেক দিনই এই ধারা দেখা যাচ্ছে। আমেরিকা ...

চিকিৎসার অর্থনীতি, না অর্থনৈতিক চিকিৎসা?

সাধারণ মানুষ প্রায়শই দেব-দ্বিজের পরেই ভরসা-ভক্তি রাখে তার ডাক্তারের ওপর , কিন্তু অনেকক্ষেত্রেই নিরাশা , আশাভঙ্গের যন্ত্রণা ও প্রায় খালি হয়ে যাওয়া পকেট নিয়ে ঘরে ফেরে। প্রায় নিত্যদিন ঘটে চলা নানাধরণের চিকিৎসা-বিভ্রাট, কিছু ডাক্তারদের দায়িত্বে গাফিলতি , ক্রমবর্দ্ধমান চিকিৎসার খরচ, সু-চিকিৎসাকে ক্রমাগত সাধারণ মানুষের নাগালের বাইরে নিয়ে গিয়ে ফেলছে। ইদানীং বেশ কয়েক জন চিকিৎসক, অর্থনীতিবিদ এবং সমাজবিজ্ঞানী এই সমস্যার বিভিন্ন দিক নিয়ে দেশেবিদেশের পত্রপত্রিকায় কিছু লেখালিখি করেছেন। এধরণের গবেষণাগুলিতে ডাক্তারি মানসিকতার অবক্ষয়ের নির্ণয়ক তুলে ধরা হয়েছে। বর্তমান পরিস্থিতির নিরিখে যুক্তির মাধ্যমে চিকিৎসাব্যবস্থাকে দুর্নীতির এক নতুন কেন্দ্রবিন্দু রূপে বিচার করা হয়। যেখানে ক্রমশ এক অভিনব আঁতাত গড়ে উঠছে কিছু ডাক্তার এবং কিছু অসাধু স্বাস্থ্য-ব্যবসায়ীদের মধ্যে। সরকারী-বেসরকারি উভয়ক্ষেত্রেই এধরনের ‘রোগ’ ধরা পড়েছে। এক্ষেত্রে মনে রাখা দরকার যে একশ্রেণীর ডাক্তারদের অবক্ষয়ী ব্যবহার কিন্তু কেবলমাত্র ব্যবসায়িক বা মানসিকতার যুক্তি দিয়ে ব্যাখ্যা করা যায় না, প্রয়োজন বর্তমান সামাজিক ও অর্থনৈতিক প্রেক্ষাপটে সমগ্...